আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের টার্গেট? মাদক আইনের অপব্যবহারের অভিযোগে ডিজি হাসান মারুফ

অবশ্যই পরুন

১ মে থেকে সারা দেশে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি বিশেষ অভিযান চালু হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সচিবালয় ও জাতীয় সংসদে এ অভিযানের উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিলেও, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) অভ্যন্তরে ভিন্ন ধরনের উদ্বেগের খবর পাওয়া যাচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, অধিদপ্তরের বর্তমান মহাপরিচালক (ডিজি) হাসান মারুফকে ঘিরে একটি প্রভাবশালী চক্র এই অভিযানকে ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের কঠোর বিধানকে কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করার একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। বিশেষ করে, অজামিনযোগ্য মামলার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগ জুড়ে দিয়ে গ্রেফতারের কৌশল নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

সূত্র জানায়, জেলা পর্যায়ের কার্যালয়গুলোর মাধ্যমে এমন একটি তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে। এতে অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার কথাও উঠে এসেছে, যাদের মধ্যে কেউ কেউ নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। সমালোচকদের দাবি, এভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও ডেটাবেজ ব্যবহার করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা করা হচ্ছে।

হাসান মারুফের অতীত নিয়েও বিভিন্ন তথ্য সামনে এসেছে। বলা হচ্ছে, ছাত্রজীবনে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ছাত্রসংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার পারিবারিক পটভূমিও রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিল বলে জানা গেছে। কর্মজীবনে বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন সরকারের আমলে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

এছাড়া, গত প্রায় দেড় বছরে অধিদপ্তরে বিভিন্ন পদে বিপুলসংখ্যক নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিয়ে সংশয় আছে এবং নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় একজন উপ-পরিচালকের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা চলছে।

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ