কিংবদন্তি আলোকচিত্রী রঘু রাইয়ের মৃত্যুতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গভীর শোক

অবশ্যই পরুন

কিংবদন্তি আলোকচিত্রী ও মুক্তিযুদ্ধের অকৃত্রিম বন্ধু রঘু রাইয়ের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক শোকবার্তায় তাঁর বিদায়কে শুধু একজন শিল্পীর প্রস্থান নয়, বরং ইতিহাস, মানবতা ও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এক দীপ্তিমান অধ্যায়ের অবসান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

শোকবার্তায় বলা হয়, রঘু রাই ছিলেন বিশ্ববরেণ্য আলোকচিত্রী, যিনি তাঁর গভীর মানবিক বোধ, অসীম সাহস এবং পেশাগত সততার মাধ্যমে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সংকটময় মুহূর্তগুলোকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছিলেন। The Statesman পত্রিকার ফটোসাংবাদিক হিসেবে তিনি যুদ্ধকালীন বাস্তবতা, শরণার্থীদের অসহনীয় দুর্দশা, গণহত্যার নির্মমতা এবং মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে শক্তিশালীভাবে বিশ্বদরবারে উপস্থাপন করেন।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জানায়, রঘু রাইয়ের ক্যামেরা শুধু দৃশ্য ধারণ করেনি, বরং একটি জাতির রক্তাক্ত সংগ্রাম, বেদনা ও বিজয়ের নির্ভুল দলিল হয়ে উঠেছিল। তাঁর সৃষ্ট আলোকচিত্রসমূহ মুক্তিযুদ্ধের প্রামাণ্য ইতিহাসের এক অমূল্য সম্পদ, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সত্যের নির্ভরযোগ্য সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

সংগঠনটি আরও উল্লেখ করে, রঘু রাইয়ের আলোকচিত্র আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার ন্যায্যতা ও নৈতিক ভিত্তিকে বিশ্বমঞ্চে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে সহায়তা করেছে।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বিশ্বাস করে, রঘু রাইয়ের মতো মানবিক, নিষ্ঠাবান ও সত্যনিষ্ঠ সৃজনশীল ব্যক্তিত্বদের অবদান ইতিহাসের গতিপথকে আলোকিত করে এবং ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার অনুপ্রেরণা জোগায়।

শোকবার্তায় সংগঠনটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করেন। একই সঙ্গে তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জানিয়েছে, রঘু রাইয়ের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধা, মর্যাদা ও গৌরবের সঙ্গে স্মরণ করবে।

ন্যাশনিক্স/এপি

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ