ঋণে ডুবে থাকার থেকে লোডশেডিংয়ের কষ্টে থাকা ভালো: বিদ্যুৎমন্ত্রী

অবশ্যই পরুন

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, অতীতে লোডশেডিং ছিল, কিন্তু দেশের ওপর বড় ধরনের ঋণের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়নি। এখন বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল থাকলেও আর্থিক দায় অনেক বেড়েছে। তার ভাষায়, ঋণে ডুবে থাকার চেয়ে কিছুটা কষ্ট সহ্য করা ভালো।


বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশের (এফইআরবি) নির্বাহী কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে বিদ্যুৎ খাতের বকেয়া ও লোকসান নিয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী।

বৈঠকে জানানো হয়, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কাছে বিভিন্ন কোম্পানির পাওনা প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা। পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের পুঞ্জীভূত লোকসান প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা। এই অর্থ পরিশোধ না হলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।


মন্ত্রী বলেন, কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হলেও জ্বালানি সরবরাহের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। ফলে উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রগুলো বসিয়ে রেখে ক্যাপাসিটি পেমেন্ট দিতে হচ্ছে। তিনি সিস্টেম লস কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে জানান, অতীতে এটি ৬ শতাংশ ছিল, বর্তমানে বেড়ে ১০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি ৫ শতাংশে এবং পরবর্তীতে ৩ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।


তিনি আরও বলেন, বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে উভয় পক্ষের স্বার্থ রক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অন্যথায় আর্থিক চাপ আরও বাড়তে পারে।


গ্যাস সংকট প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, নতুন গ্যাসকূপ খননে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবং দেশীয় উৎস থেকে জ্বালানি আহরণ বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। বিদেশ নির্ভরতা কমাতে নতুন রিগ সংগ্রহ ও দক্ষ জনবল তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।

ন্যাশনিক্স/এলকে

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ