জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা সরকারি দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রস্তুতি শুরু করেছেন। ইতিমধ্যে কিছু উপদেষ্টা তাদের সরকারি বাসা ছাড়েছেন এবং সরকারি বাসভবন বুঝে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দিয়েছেন।
একই সময় অন্তত ১৩ জন উপদেষ্টা এবং একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাদের কূটনৈতিক বা লাল পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন। কেউ কেউ জানিয়েছেন, সরকারের দায়িত্বে থাকাকালীন তারা পাসপোর্ট কাছেই রাখবেন। তবে অনেকে নতুন পাসপোর্টের আবেদন করেছেন যাতে দায়িত্ব হস্তান্তর সহজ হয়।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান ইতিমধ্যেই সরকারি বাসা ছাড়ার চিঠি দিয়েছেন। নির্বাচনের আগে আরও কয়েকজন উপদেষ্টা সরকারি বাসা ছাড়বেন এবং পাসপোর্ট জমা দেবেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কর্মকর্তা দ্যা ন্যাশনিক্সকে জানান, নতুন পাসপোর্ট পাওয়া মাত্র পুরনো কূটনৈতিক পাসপোর্ট অকার্যকর হয়।
লাল পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, মুক্তিযুদ্ধ ও ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বীরপ্রতীক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, বাণিজ্য ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এবং পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
অনেকে নতুন পাসপোর্ট আগে থেকে হাতে পেয়েছেন বা আবেদন করেছেন, যাতে লাল পাসপোর্ট ফেরত দেওয়ার সময় কোনো ঝামেলা না হয়।
ন্যাশনিক্স/এএএইচপি
