বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে চাঁদাবাজি ও অপকর্মে জড়িতদের দিয়ে কমিটি গঠনের অভিযোগ

অবশ্যই পরুন

একপাক্ষিকভাবে চট্টগ্রামের কমিটি ঘোষণার অভিযোগ তুলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি কমিটি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত এক নেতা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, চট্টগ্রামের ওই কমিটিতে চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

পোস্টে তিনি বলেন, চট্টগ্রামের এই কমিটি সম্পর্কে বলার মতো অনেক কথা থাকলেও আপাতত বিস্তারিত প্রকাশ করছেন না। তবে পর্যাপ্ত প্রমাণসহ সব তথ্য খুব শিগগিরই জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও দাবি করেন, চট্টগ্রামের কমিটিকে সবাইকে সম্পৃক্ত করে পরিচালনা করার প্রস্তাব তিনি আগেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে চট্টগ্রামভিত্তিক ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে একাধিক পরিকল্পনাও শেয়ার করেছিলেন। তবে কোনো ধরনের ধান্ধাবাজি বা আর্থিক লেনদেনে জড়িত হতে তিনি রাজি হননি বলেও উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভাগের টাকা শেয়ার করার মতো কোনো উৎস তিনি পাননি এবং এ ধরনের কাজে তাকে কখনোই যুক্ত করা সম্ভব হয়নি।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, তোষামোদ বা চাটুকারিতার রাজনীতিতে তিনি বিশ্বাস করেন না এবং সবসময় সরল ও স্পষ্ট অবস্থান নিয়েই কাজ করেছেন। এ কারণে অনেকেই আশঙ্কা করছেন, চট্টগ্রামে এই ব্যানারের কার্যক্রমে তিনি ‘ডিস্টার্ব’ সৃষ্টি করতে পারেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, তিনি কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবেন না এবং এ বিষয়ে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

একই সঙ্গে তিনি চট্টগ্রামের কমিটি একপাক্ষিকভাবে ঘোষণার জন্য সংশ্লিষ্টদের দায়ী করে বলেন, এভাবে কমিটি ঘোষণা না দিলেও পারতেন তারা। ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সময়ের মুখোমুখি হতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

পোস্টের শেষাংশে তিনি চট্টগ্রামের এই কমিটি অবিলম্বে স্থগিত করে নতুন করে পুনর্বিবেচনার দাবি জানান। অন্যথায় চট্টগ্রামে এই কমিটি ও সংশ্লিষ্ট ব্যানারকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হবে বলে সতর্ক করেন তিনি।

উল্লেখ্য, এসব মন্তব্য ফেসবুকে পোস্ট করেন ইবন হোসাইন জিয়াদ।

ন্যাশনিক্স/এলকে

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ