চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচজন অস্ত্রধারীকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ এবং অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে হামলায় জড়িত কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গত শনিবার চৌমুহনী বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণের ঘটনায় নিহত হন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয়দের একাংশের দাবি, একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে। তবে পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, ভিডিও ফুটেজে কয়েকজনকে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দেখা গেছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক দল সম্ভাব্য অবস্থানগুলোতে অভিযান চালাচ্ছে।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়ে অপরাধের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।
নিহতের পরিবারও দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। পরিবারের সদস্যদের মতে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে সিসিটিভি ফুটেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
স্থানীয়ভাবে হত্যাকাণ্ডের পেছনে বিভিন্ন কারণ নিয়ে আলোচনা থাকলেও পুলিশ বলছে, তদন্তের মাধ্যমে সব সম্ভাব্য দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলা দায়ের ও পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
