গাজায় জরুরি সহায়তার আহ্বান জাতিসংঘের

অবশ্যই পরুন

গাজায় মানবিক সহায়তা জোরদার এবং আহত ও গুরুতর অসুস্থ ফিলিস্তিনিদের বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দিতে ইসরায়েলের প্রতি আবারও আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

 সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, চলমান চিকিৎসা সংকটের মধ্যেও রাফাহ সীমান্ত দিয়ে যাতায়াতে কঠোর বিধিনিষেধ বহাল থাকায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে দেওয়া বক্তব্যে গুতেরেস বলেন, রাফাহ সীমান্তসহ সব প্রবেশপথ দিয়ে দ্রুত ও বাধাহীনভাবে মানবিক সহায়তা ঢুকতে দিতে হবে। একই সঙ্গে আহত ও অসুস্থদের নিরাপদে বাইরে নেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি।

এদিন বিদেশে চিকিৎসার আশায় রাফাহ সীমান্তে শতাধিক ফিলিস্তিনি জড়ো হলেও মাত্র ১৬ জনকে মিসরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। অথচ এর আগে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ দৈনিক উভয় দিকে অন্তত ৫০ জন যাতায়াতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো জানিয়েছে, সীমান্তে বিলম্বের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে ফিলিস্তিনিদের ব্যক্তিগত মালামাল ফেলে রেখেই সীমান্ত পার হতে বাধ্য করা হচ্ছে। প্রায় দুই বছর ধরে কার্যত বন্ধ থাকার পর সীমান্তটি আংশিকভাবে খুললেও চলাচল এখনো সীমিত রয়েছে। বর্তমানে গাজায় প্রায় ২০ হাজার মানুষ বিদেশে জরুরি চিকিৎসার অপেক্ষায় রয়েছেন।

এদিকে গাজায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়েছে। ইসরায়েলি হামলায় অধিকাংশ হাসপাতাল ও চিকিৎসা অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খান ইউনিসের কাছে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ১৯ বছর বয়সী এক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে অক্টোবরের মাঝামাঝিতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে।

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ