দিল্লিতে মোদি,পুতিন ও শেখ হাসিনার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের গুঞ্জন: কূটনীতিতে তোলপাড়

অবশ্যই পরুন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দুই দিনের ভারত সফর (৫–৬ ডিসেম্বর) ঘিরে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। এসময় ভারত অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি হয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে জোর আলোচনা চলছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতা পরিবর্তনের পর থেকে শেখ হাসিনা ভারত সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুমতিতে নিরাপদে অবস্থান করছেন। কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে আঞ্চলিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারত শেখ হাসিনার দীর্ঘদিনের রাষ্ট্রনায়কসুলভ ভূমিকা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় তাঁর অবদানের প্রতি সম্মান দেখিয়েই তাঁকে উচ্চ মর্যাদায় আতিথেয়তা প্রদান করছে।

পুতিনের সফরকালীন সময়ে ভারত–রাশিয়া শীর্ষ বৈঠকের পাশাপাশি শেখ হাসিনাকে নিয়ে সম্ভাব্য বিশেষ আলোচনা হয়েছে এমন গুঞ্জন রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা, জ্বালানি নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক সহযোগিতায় শেখ হাসিনার অভিজ্ঞতা এবং দীর্ঘমেয়াদি নেতৃত্ব এখনো বড় শক্তিগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

এ বিষয়ে সাবেক এমপি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি তাঁর সাম্প্রতিক এক ভিডিওতে এই বিষয়ে ইঙ্গিত করতে দেখা যায়। শেখ হাসিনার প্রতি ভারত ও রাশিয়ার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।দুই বড় শক্তির এই কূটনৈতিক আগ্রহ প্রমাণ করে যে শেখ হাসিনা এখনো দক্ষিণ এশিয়ার একটি গ্রহণযোগ্য ও অভিজ্ঞ নেতৃত্ব।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভারত ও রাশিয়ার আলোচনায় শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ বাংলাদেশের রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বয়ে আনছে। বিরোধী মহল যেখানে উদ্বেগ প্রকাশ করছে, সেখানে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শেখ হাসিনার গ্রহণযোগ্যতা আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।

ন‍্যাশনিক্স/একেএ

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ