দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবারও ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। মাত্র দুই দিনে তিনটি ট্রাকে মোট ৯০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ দেশে এসেছে। আমদানি শুরুর পর থেকেই স্থানীয় বাজারে স্পষ্ট পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে খুচরা বাজারে প্রতি কেজিতে ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে।
আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি রকি মিয়া জানিয়েছেন, দেশের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার আমদানির অনুমতি দিয়েছে। তিনি বলেন, “আমদানি যত বাড়বে, বাজারে দাম তত কমবে।”
এবারের চালানে প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজ ২৫০ ডলারে এসেছে, তবে ভারতীয় ইনভয়েসে মূল্য দেখানো হয়েছে ২৪৫ ডলার।
হিলি স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ বিভাগের উপসহকারী ইউসুফ আলী জানিয়েছেন, বন্দরের চারটি প্রতিষ্ঠান মোট ১২০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি পেয়েছে।
বন্দরের আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম মনে করেন, সময়মতো আমদানির সিদ্ধান্ত নিলে দেশে পেঁয়াজের দাম আরও আগে নিয়ন্ত্রণে আসতো। তাঁর দাবি, ১২০ টন অনুমতি খুবই সীমিত, আরও নতুন করে আইপি অনুমতি দেওয়া দরকার।
হিলি বন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক বলেন, “সীমিত পরিসরে আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যদি আমদানির পরিমাণ আরও বাড়ানো হয়, তাহলে বাজার স্থিতিশীল থাকবে এবং দাম কমতে থাকবে।”
হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা বাধন জানান, দীর্ঘ সময় পরে মাত্র দুই দিনেই তিনটি ট্রাকে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাস্টমস প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিচ্ছে।
বাজারের বিক্রেতারা সরাসরি দাম কমার প্রভাব পেয়েছেন। হিলি বাজারের ব্যবসায়ী মঈনুল ইসলাম বলেন, “ভারতীয় পেঁয়াজ আসার পর থেকেই প্রতিকেজি ৫০ টাকা কমেছে। এখন দেশি পেঁয়াজ ৭০–৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা তিন দিন আগেও ১০০ থেকে ১৩০ টাকার মধ্যে ছিল।”
