আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ২–০ ব্যবধানে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ

অবশ্যই পরুন

আয়ারল্যান্ডকে ২১৭ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে দাপুটে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। রবিবার (২৩ নভেম্বর) মিরপুরে দ্বিতীয় টেস্টের পঞ্চম দিনে দুর্দান্ত লড়াই করেও বাঁচতে পারেনি সফরকারীরা।

শেষ দিনে আয়ারল্যান্ডের প্রধান ভরসা ছিলেন কার্টিস ক্যাম্ফার। তিনি ২৬৯ বল খেলে অপরাজিত ৭১ রানের লম্বা ইনিংস খেলেন। যদিও তাকে আউট করতে না পারলেও বাংলাদেশ বোলারদের শৃঙ্খলিত আক্রমণে শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানেই জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা।

দিনের শুরুতেই আয়ারল্যান্ড লাঞ্চের আগেই ৮ উইকেটে ২৬৩ রানে থামে। জয়ের জন্য তখনও প্রয়োজন ছিল ২৪৬ রান। ২১ রান করা অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইনকে এলবিডব্লিউ করে তাইজুল ইসলাম টেস্ট ক্রিকেটে ২৫০ উইকেটের ক্লাবের প্রথম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে ইতিহাস গড়ে নেন। তাদের সপ্তম উইকেট পড়ে ১৮৯ রানে।

জর্ডান নেইলের ৩০ রানের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং থামান মেহেদী হাসান মিরাজ। দলীয় ২৩৭ রানে তার উইকেট পড়লে আয়ারল্যান্ডের আশা আরও কমে যায়। এরপর আর প্রতিরোধ গড়তে পারেনি তারা।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে বোলিংয়ে তাইজুল ইসলাম ও হাসান মুরাদ নেন সর্বোচ্চ ৪টি করে উইকেট। মিরাজ ও খালেদ আহমেদ নেন একটি করে উইকেট।

এর আগে ম্যাচের চতুর্থ দিনে ৬ উইকেট হারিয়েও খেলা পঞ্চম দিনে নিয়ে আসে আয়ারল্যান্ড। তারা দিন শেষ করে ৬ উইকেটে ১৭৬ রানে। সেখান থেকে শেষ দিনের লড়াই শুরু করেন ক্যাম্ফার (৩৪*) ও ম্যাকব্রাইন (১১*)।

বাংলাদেশ চতুর্থ দিনের শুরুতে ছিল ১ উইকেটে ১৫৬ রানে। সাদমান ইসলাম ৭৮ রান করে আউট হলে মুমিনুল হক ও পরে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত দ্রুত ফিরে যান। দলীয় ২৯৭ রানে মুমিনুল আউট হওয়ার আগে ১১৮ বলে ৮৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন।

মুশফিকুর রহিম নিজের শততম টেস্টে ৮১ বলে অপরাজিত ৫৩ রান করে ইনিংসকে সামনে এগিয়ে নেন। এরপরই ইনিংস ঘোষণা করেন অধিনায়ক শান্ত। বাংলাদেশের লিড দাঁড়ায় ৫০৮ রান। ফলে আয়ারল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৫০৯।

চেজে নেমে শুরুতেই পল স্টার্লিংকে হারিয়ে চাপে পড়ে সফরকারীরা। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা এবং শেষ পর্যন্ত ২১৭ রানের বড় ব্যবধানে হার মানে।

বাংলাদেশের টেস্ট সিরিজ জয়ের এই সাফল্য দলকে আত্মবিশ্বাসী করার পাশাপাশি নতুন ইতিহাসও তৈরি করেছে।

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ