গফরগাঁও উপজেলার মূখী গ্রামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধা করিম মিলিটারীকে জনসম্মুখে জুতা পড়িয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে নৃশংসভাবে অপমান করা হয়েছে। শুধু ব্যক্তিগত হামলা নয়, এই ঘটনায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাসকেও অবমাননার শিকার করা হয়েছে।
স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ৫ আগস্ট ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পালাবদল ও ইউনুস সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের উপর এই ধরনের অপমান এবং সামাজিকভাবে অপদস্থ করার ঘটনা বেড়েছে। প্রশাসনের নিরব ভূমিকা এই পরিস্থিতিকে আরও জোরালো করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কার্যক্রমে বড় ধরনের ভূমিকা রাখছে জামায়াত-শিবিরের কিছু নেতা ও কর্মীরা, যারা প্রায়শই আইনের আওতার বাইরে থাকেন। এই পরিস্থিতি রাজনৈতিক উত্তাপ ও সামাজিক বিভাজন বাড়ানোর শঙ্কা সৃষ্টি করছে।
স্থানীয়রা তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলছেন, “একজন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানকে এভাবে অপমান করা কখনো মেনে নেওয়া যায় না।”
এই ঘটনায় মানবাধিকার ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষার জন্য দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
ন্যাশনিক্স/একেএ
