উচ্চমূল্যে কেনা হচ্ছে দুই কার্গো এলএনজি, দুর্নীতির আশংকা

অবশ্যই পরুন

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিতে সরকারের ব্যয় আরও বাড়ছে। এবার প্রতি এমএমবিটিইউ ২৪ ডলারের বেশি দামে দুই কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এর মধ্যে এক কার্গোর দাম পড়বে ২৪ দশমিক ৬২৫ ডলার এবং অন্যটির দাম ২৪ দশমিক ২৫ ডলার।

সোমবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহের মাধ্যমে দুই কার্গো এলএনজি কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫-এর বিধি ১০৫-এর উপবিধি ৩-এর দফা (ক) অনুসরণ করে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ১৩ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বরের জন্য নির্ধারিত ৪৬তম কার্গো এলএনজি সরবরাহ করবে পসকো ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন। এ কার্গোর জন্য প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ দশমিক ৬২৫ মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে, ২৩ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বরের জন্য নির্ধারিত ৪৭তম কার্গো সরবরাহ করবে যুক্তরাজ্যের টোটালএনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড। এ কার্গোর প্রতি এমএমবিটিইউর দাম পড়বে ২৪ দশমিক ২৫ মার্কিন ডলার।

এর আগে গত ১৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৩ দশমিক ৯৩ ডলারে এক কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। সিঙ্গাপুরভিত্তিক আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে কেনা ওই কার্গোর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩৯ কোটি ৫২ লাখ টাকা।

এদিকে, গত বছরের ডিসেম্বরেও সরকার প্রতি এমএমবিটিইউ ১০ দশমিক ৫০ ডলারের নিচে দামে এলএনজি কিনতে পেরেছিল। সেই তুলনায় কয়েক মাসের ব্যবধানে আমদানি করা এলএনজির দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। এর ফলে জ্বালানি আমদানিতে সরকারের ব্যয় ও দেশের জ্বালানি খাতের ওপর চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ