ইসলামাবাদস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই শহীদ দিবস পালন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার হাইকমিশনের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।
হাইকমিশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অনুষ্ঠানে ইসলামাবাদে অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্য, হাইকমিশনের কর্মকর্তা এবং পাকিস্তানের বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পাথফাইন্ডার গ্রুপের চেয়ারম্যান ইকরাম সেহগাল, ইসলামাবাদ পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো রাষ্ট্রদূত আসিফ আলী খান দুররানি, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড কনফ্লিক্ট স্টাডিজের অধ্যক্ষ জাহিদ মাহমুদ, ম্যারিয়ট হোটেল ইসলামাবাদের পরিচালক আমনা সালমান কাদির এবং জং গ্রুপের বিশেষ প্রতিবেদনের সম্পাদক এম সালেহ জাফির।
বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তারা বলেন, এ গণঅভ্যুত্থান ছিল গণতন্ত্রকামী মানুষের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা ও আত্মত্যাগের প্রতিফলন। তাদের মতে, জুলাইয়ের চেতনা মানবিক, স্বৈরাচারমুক্ত, সমতাভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের প্রেরণা জোগায়।
বক্তারা আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় অগ্রগতি হয়েছে এবং বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কও আগের তুলনায় উন্নত হয়েছে।
হাইকমিশনার তার বক্তব্যে জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহত ছাত্র-জনতার অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ, চট্টগ্রামে কলেজ শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ আন্দোলনে নিহতদের স্মরণ করেন। পাশাপাশি আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ের ঘটনাও তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠান শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।
ন্যাশনিক্স/এলকে
