সেন্ট মার্টিনে রাতযাপন সীমিত, সংরক্ষণে কঠোর অবস্থান সরকারের

অবশ্যই পরুন

সেন্ট মার্টিন দ্বীপের হারানো জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধারে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেছেন, দ্বীপে পর্যটন কার্যক্রম চলবে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে, তবে দ্বীপ ও পর্যটন ব্যবসাকে এক করে দেখা যাবে না।


মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্ট মার্টিন বিষয়ক মহাপরিকল্পনা কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন। তার মতে, দ্বীপের সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনা সরকারের অগ্রাধিকার এবং একই সঙ্গে দ্বীপবাসীর টেকসই জীবিকার ব্যবস্থা করাও গুরুত্বপূর্ণ।


তিনি বলেন, প্রায় আট হাজার মানুষের বসবাস থাকা একটি দ্বীপে প্রতিদিন অতিরিক্ত পর্যটক প্রবেশ করলে স্থানীয়দের ব্যক্তিগত জীবন ব্যাহত হয়। এ কারণে সেন্ট মার্টিনে পর্যটন অবশ্যই নিয়ন্ত্রিতভাবে পরিচালিত হবে। বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য কৃষি, মৎস্য ও হস্তশিল্পভিত্তিক কার্যক্রম বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।


এ সময় সেন্ট মার্টিন সংরক্ষণের জন্য চারটি জোন নির্ধারণের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। প্রস্তাব অনুযায়ী, একটি জোনে সাধারণ পর্যটন ও হোটেল কার্যক্রম থাকবে, কিছু এলাকায় দিনে পর্যটক প্রবেশ করতে পারলেও রাতযাপন নিষিদ্ধ থাকবে এবং একটি জোনে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সম্পূর্ণ প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।


পরিবেশ সচিব জানান, দ্বীপ রক্ষায় একটি টেকসই ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ইতোমধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকেও জানানো হয়, সঠিক ব্যবস্থাপনার ফলে ধীরে ধীরে সেন্ট মার্টিনের প্রাকৃতিক ভারসাম্য ফিরতে শুরু করেছে।
সরকারের এই উদ্যোগকে সেন্ট মার্টিনের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষায় ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

ন্যাশনিক্স/এলকে

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ