বিশ্বজুড়ে পেশাদার ফুটবলারদের ভোটে নির্বাচিত ফিফপ্রো বর্ষসেরা একাদশে এবার ঘটেছে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন। প্রতিষ্ঠার দুই দশক পর প্রথমবারের মতো এই তালিকায় জায়গা পাননি ফুটবল বিশ্বের দুই শক্তিশালী দেশ,ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার কোনো খেলোয়াড়।
২০০৫ সালে যাত্রা শুরু করা ফিফপ্রো একাদশে দক্ষিণ আমেরিকার এই দুই দেশ প্রায় প্রতিবারই আধিপত্য বিস্তার করেছে। একসময় এই তালিকায় ছিল রোনালদিনহো, কাকা, নেইমার, কাফু, মার্সেলো কিংবা থিয়াগো সিলভার মতো তারকাদের নাম। গোলরক্ষকের আসনে দিদা, আলিসন কিংবা এডারসনের উপস্থিতিও ছিল নিয়মিত। কিন্তু এবারের বর্ষসেরা একাদশে তাঁদের কেউই জায়গা পাননি।
২০ হাজারেরও বেশি পেশাদার ফুটবলারের ভোটে নির্ধারিত এই তালিকা সবসময়ই ফুটবলের মান ও জনপ্রিয়তার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই এবার দক্ষিণ আমেরিকার ঐতিহ্যবাহী দুই পরাশক্তির অনুপস্থিতি ফুটবল বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপীয় লিগগুলোতে সাম্প্রতিক মৌসুমে ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও স্পেনের ক্লাবগুলোর খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সই এবার একাদশের মূল নিয়ামক হয়ে উঠেছে। ফলে বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা কিংবা ঐতিহ্যবাহী ব্রাজিল থেকেও কেউ জায়গা করতে পারেননি বছরের সেরাদের তালিকায়।
ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এই অনুপস্থিতি প্রশ্ন তুলেছে দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল কি তবে ইউরোপের ছায়ায় ঢেকে যাচ্ছে?
