বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম উজ্জ্বল মুখ এবং এক-সময়ের জাতীয় ক্রিকেট টিমের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান রাজনৈতিক মঞ্চেও পা রেখেছেন। গত বছরের নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত হয়ে মাগুরা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সেই সময় দেশের রাজনৈতিক উত্তাল পরিবেশে তিনি বিশেষ করে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও সরকারের পতনের পর বেশ সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন কারণ তিনি নিরব ছিলেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেছেন: “আমি মনে করি এটি শুধু একটা মুহূর্ত ছিল যা আমার বিপক্ষে গিয়েছিল। হয়তো তারা অন্যরকম কিছু আশা করেছে, আর আমি সেই সময় প্রস্তুত ছিলাম না, বা পুরো পরিস্থিতি জানতাম না। তখন আমি বাড়ি থেকে অনেক দূরে ছিলাম। তারা হয়তো আমার বিরুদ্ধে গেছে আমি তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে সেটি বুঝতে পারি, ও সেটিকে সম্মান করি। কিন্তু আমি তার জন্য কোনো অনুশোচনা রাখি না আমি মনে করি মানুষ ধীরে ধীরে তা বুঝতে শুরু করেছে।” তিনি আরও জানিয়েছেন যে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া হলো নাগরিকের অধিকার, তাঁর উদ্দেশ্য ছিল মাগুরার মানুষের জন্য কাজ করা এবং সেই কারণে তিনি জানেন যুক্ত হওয়া সঠিক সিদ্ধান্ত ছিলো।
সাকিব এই অবস্থান থেকে বিরত থাকলেও বলেন, তাঁর হঠাৎ বা অনভিপ্রেত ‘নিরব থাকা’ জনমতের ভ্রান্ত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে কিছু অংশের মতে তিনি দায়িত্ব এড়িয়ে গেছেন, অন্য দিকে কিছু অংশ মনে করে তিনি অন্যরকম আচরণ করতে বাধ্য ছিলেন।তবে তিনি আজও অনড় বলছেন যে তিনি পেছনে ফিরে দেখছেন না, কারণ তাঁর উদ্দেশ্য পরিষ্কার ছিল এবং নিজে বিশ্বাস করেন সঠিক পথে ছিলেন।
এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি একটি বার্তা দিচ্ছেন কারণ কিংবা সময় যাই হোক, সিদ্ধান্ত নেওয়া ছিল তাঁর এবং জননড়াচড়া, প্রত্যাশা, সমালোচনার মধ্যেও তিনি নিজের পথচলায় দৃঢ়।
ন্যাশনিক্স/একেএ
