লালন শাহের তিরোধান দিবসে ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা, বাউল নিধন ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

অবশ্যই পরুন

মরমি কবি ও সাধক ফকির লালন শাহের ১৩৬তম তিরোধান দিবসে শ্রদ্ধা জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। একই সঙ্গে বাউল সাধকদের ওপর হামলা, নিপীড়ন এবং দেশের অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ওপর আঘাতের প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, লালন শাহ মানবতাবাদ, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও মুক্তিচিন্তার এক অনন্য প্রতীক। তাঁর দর্শন, ভাবসংগীত ও অমর সৃষ্টির মাধ্যমে তিনি বাংলার মানুষের মধ্যে মানবিকতা ও সাম্যের বীজ বপন করেছেন। তাঁর কালজয়ী বাণী ও জীবনদর্শন আজও মানুষকে পথ দেখায়।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে দেশের অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা গভীর সংকটে পড়েছে বলে তারা মনে করে। বিবৃতিতে বাউল ও সুফি সাধকদের ওপর হামলা, চুল কেটে দেওয়া, আখড়া ভাঙচুর এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়।

সংগঠনটির দাবি, লালন মেলা ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক আয়োজনকে ঘিরে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। লালন মেলা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়; এটি বাংলার আবহমান লোকসংস্কৃতির একটি সর্বজনীন মিলনমেলা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, লালন, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের দর্শনে ধর্মান্ধতা, উগ্রবাদ ও বিভাজনের কোনো স্থান নেই। 

লালন শাহের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে।

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ