শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে শুভেচ্ছা, উপহার ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মী ও প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে। অন্যদিকে, বিভিন্ন ঘটনায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ছাত্রলীগের কর্মীদের পক্ষ থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানানো এবং উপহার পাঠানোর খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সামনে এসেছে। এর মধ্যে ‘মায়ের জন্য ভালোবাসা’ নামে উপহার পাঠানোর উদ্যোগও রয়েছে। এসব উদ্যোগকে ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সম্মান প্রদর্শনের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
অন্যদিকে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরের কাছাকাছি এলাকায় গরুর মাংস রান্নাকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ক এবং প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের গরু জবাইয়ের ঘটনা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এ ঘটনায় ধর্মীয় অনুভূতি ও ক্যাম্পাসে সম্প্রীতি বজায় রাখার প্রশ্ন সামনে এসেছে।
এমন পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও রাজনৈতিক বিতর্কও জোরালো হয়েছে। তবে প্রতিমা ভাঙচুর কিংবা সাম্প্রদায়িক হামলার মতো অভিযোগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ঘটনা, দায়ী ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সম্পৃক্ততা নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে যাচাই করা জরুরি।
শারদীয় দুর্গাপূজার মতো ধর্মীয় উৎসবে শুভেচ্ছা ও উপহার বিনিময়ের উদ্যোগ যেমন সম্প্রীতির বার্তা দিতে পারে, তেমনি যেকোনো ধরনের উসকানি, বিদ্বেষ ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করাও জরুরি। রাজনৈতিক পরিচয় যা-ই হোক, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অন্যের অধিকার রক্ষায় সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশিত।
ন্যাশ
