ক্যাম্পাসে ফিরতে পারছে না লাখো শিক্ষার্থী, জাতিসংঘে রিপোর্ট জমা

অবশ্যই পরুন

২০২৪-এর পটপরিবর্তনের পর মব, মিথ্যা মামলা ও রাজনৈতিক নিপীড়নে শিক্ষাঙ্গনে মানবাধিকার লঙ্ঘন; ভুক্তভোগীদের শিক্ষার অধিকার নিয়ে বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার ফরিদা শহীদের সফরের দিকে তাকিয়ে লাখো পরিবার

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা:

বাংলাদেশে চলমান মানবাধিকার লঙ্ঘন, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত অধিকার লঙ্ঘন এবং গণ-রাজনৈতিক নিপীড়ন নিয়ে জাতিসংঘে আনুষ্ঠানিক রিপোর্ট ও জরুরি আবেদন জমা দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।

জাতিসংঘ প্রতিনিধিদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দেওয়া ওই আবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশী শিক্ষার্থী তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরতে পারছেন না। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে তাদের ওপর মব সহিংসতা, মিথ্যা মামলা ও গণ-নিপীড়ন চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আবেদনে ভুক্তভোগী সদস্যরা জানান, ২০২৪-এর পর থেকে অনেক শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাস, আবাসিক হল ও পরীক্ষার হল থেকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়েছে। অনেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে তাদের শিক্ষাজীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

এতে আরও বলা হয়, শুধু শিক্ষার্থী নয়, বহু শিক্ষকও একই ধরনের রাজনৈতিক নিপীড়ন ও অবিচারের শিকার হচ্ছেন। শিক্ষাঙ্গনে ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, যা শিক্ষার মৌলিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন।

ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে দৃঢ় আশা প্রকাশ করা হয়েছে, শিক্ষার অধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার ফরিদা শহীদ তার আসন্ন সরকারি বাংলাদেশ সফরে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়ের ওপর হওয়া এই অবিচারের প্রতি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন এবং সরেজমিনে প্রকৃত চিত্র তুলে ধরবেন।

ভুক্তভোগীদের ৩ দফা দাবি:

১. অবিলম্বে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে লাখো শিক্ষার্থীর ক্যাম্পাসে নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে হবে।

২. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মব জাস্টিস, হল দখল ও ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর হামলা বন্ধ করতে হবে।

৩. জাতিসংঘের বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার ফরিদা শহীদকে দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ক্যাম্পাসে অবাধে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দিতে হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ফরিদা শহীদের এই সফর বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গনে চলমান মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ