জাতিসংঘে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলের কার্যালয়ের ‘লিগ্যাল অফিসার’ হলেন জাইমা, যোগ্যতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

অবশ্যই পরুন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে ‘লিগ্যাল অফিসার’ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান। সভাপতির কার্যালয়ের বিভিন্ন পদে থাকা ৪০ কর্মকর্তার মধ্যে জাইমাসহ ছয়জন বাংলাদেশি রয়েছেন।


জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, জাইমা রহমানের দায়িত্ব হবে সভাপতির কার্যালয়ের আইনসংক্রান্ত বিষয়গুলো দেখাশোনা করা। তবে গুরুত্বপূর্ণ এই পদে তাঁর নিয়োগ ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে যোগ্যতা ও নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।


জাইমা রহমান লন্ডনের কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং যুক্তরাজ্যে বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেছেন। চলতি বছরের জুনে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপের পরীক্ষাতেও তিনি উত্তীর্ণ হয়েছেন বলে একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


তবে সমালোচকদের প্রশ্ন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ের মতো আন্তর্জাতিক পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি পেশাগত অভিজ্ঞতা, নিয়োগের মানদণ্ড এবং বাছাইপ্রক্রিয়া কী ছিল। এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে না থাকায় প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে।
অন্যদিকে, জাইমা রহমানের আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও ব্যারিস্টারি সম্পন্ন করার তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে। ফলে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি মূল আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে এই পদে নিয়োগের নির্ধারিত মানদণ্ড, প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা এবং বাছাইপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা।


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে বাংলাদেশি কূটনীতিক আব্দুল আলিম ‘ডেপুটি চিফ অব ক্যাবিনেট’সহ আরও কয়েকজন বাংলাদেশি বিভিন্ন দায়িত্বে রয়েছেন।


এ অবস্থায় জাইমা রহমানের নিয়োগ নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাব দিতে হলে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি কী প্রক্রিয়ায় তাঁকে নির্বাচিত করা হয়েছে, পদটির জন্য কী কী যোগ্যতা নির্ধারিত ছিল এবং অন্য প্রার্থীদের বিবেচনা করা হয়েছিল কি না—এসব বিষয় স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ