জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতিসংঘের অধিবেশনকে ঘিরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। তবে এখন পর্যন্ত ইউরোপের কোনো দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আয়োজন সামনে না আসায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
নিউইয়র্ক সফরের আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। তবে নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর জানানো হয়, ট্রাম্পের সঙ্গে আলাদা কোনো দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হচ্ছে না।
এরই মধ্যে তারেক রহমান জাতিসংঘ অধিবেশনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন এবং কয়েকটি দেশের শীর্ষ নেতার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করছেন। এর মধ্যে হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও তার বৈঠক হয়েছে।
তবে একই সময়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানরাও জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। ফলে তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কোনো দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হচ্ছে কি না, তা নিয়ে কূটনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে।
বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলাদা বৈঠক না হওয়াকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন উঠছে। পাশাপাশি ইউরোপীয় দেশগুলোর সরকারপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কর্মসূচি না থাকায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
গোপন সুত্র বলছে বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন, রাজনৈতিক সহিংসতা, বিরোধী দলকে নিষিদ্ধ করণ ও গনতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন দেশ গুলো বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠকে বসতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এর মধ্যে মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নয়নে হিউম্যান রাইটস ওয়াচকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখেন নি তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার এমনটাই জানিয়েছে সংগঠনটি।
