রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুরে সহিংসতার ঘটনায় নিহত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আবদুল্লাহ আল মাসুদের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শোক ও বিচার দাবি করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, আবদুল্লাহ আল মাসুদ ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পরীক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ নেতা। তাঁর অকাল মৃত্যু শুধু তাঁর পরিবারের জন্য নয়, পুরো জাতির বিবেককে নাড়া দেওয়ার মতো ঘটনা।
ছাত্রলীগের দাবি, ২০১৪ সালে মৌলবাদী ছাত্রশিবিরের কথিত হামলায় গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘদিন শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে জীবনযাপন করেও মাসুদ সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ে তাকে নির্মমভাবে প্রাণ হারাতে হয়।
সংগঠনটি অভিযোগ করে, বিচারহীনতা ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিবেশে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নির্যাতন ও সহিংসতার শিকার হচ্ছেন। একই সঙ্গে আবদুল্লাহ আল মাসুদের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, রাজনৈতিক মতাদর্শ বা পরিচয়ের কারণে কোনো নাগরিকের ওপর সহিংসতা গ্রহণযোগ্য নয়। প্রতিহিংসার রাজনীতি ও মব-সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
