লাইনে গ্যাস না থাকা এবং এলপি গ্যাসের কৃত্রিম সংকটে দাম বেড়ে যাওয়ায় ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার মানুষ আবারও লাকড়ির চুলার দিকে ঝুঁকছেন। দৈনন্দিন রান্নার বিকল্প হিসেবে অনেক পরিবার এখন ব্যবহার করছে এই পুরোনো পদ্ধতির চুলা।
চুলা তৈরির কারিগররা জানান, আগের তুলনায় এখন অর্ডার ও বিক্রি দুটোই বেড়েছে। গ্যাস সংকট শুরু হওয়ার পর থেকেই লাকড়ির চুলার চাহিদা হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়েছে। আকার ও নকশা ভেদে প্রতিটি চুলা ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ৮০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
কারিগরদের ভাষ্য অনুযায়ী, আগে যেখানে সপ্তাহে অল্প কয়েকটি চুলা বিক্রি হতো, এখন সেখানে প্রতিদিনই নতুন চুলা বানাতে হচ্ছে। গ্যাসের স্বল্পচাপ ও এলপি গ্যাসের উচ্চমূল্যের কারণে অনেক নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার বাধ্য হয়েই এই বিকল্পে ফিরছে।
ভোক্তারা বলছেন, এলপি গ্যাসের দাম নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় রান্না চালু রাখতে লাকড়ির চুলাই এখন ভরসা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে এই প্রবণতা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ন্যাশনিক্স/এলকে
